ভুয়া ফ্রিল্যান্সিং কোর্স কীভাবে চিনব?যে কোর্স নির্দিষ্ট আয়ের গ্যারান্টি দেয়, প্রশিক্ষকের আসল মার্কেটপ্লেস প্রোফাইল দেখাতে পারে না, অযৌক্তিক বড় ছাড়ের চাপ দেয়, আর সিলেবাস বা রিফান্ড পলিসি পরিষ্কার না, সেগুলো থেকে সাবধান থাকুন। ভর্তির আগে প্রশিক্ষকের প্রোফাইল, সাম্প্রতিক কাজ আর আগের শিক্ষার্থীদের সাথে সরাসরি কথা বলে যাচাই করুন।
৯টা লক্ষণ
- আয়ের গ্যারান্টি: "কোর্স শেষে নিশ্চিত কাজ" বা "মাসে নির্দিষ্ট আয়"। ফ্রিল্যান্সিংয়ে কেউ এটা সৎভাবে দিতে পারে না।
- প্রশিক্ষকের প্রোফাইল লুকানো: আপওয়ার্ক বা ফাইভার প্রোফাইলের লিংক চাইলে এড়িয়ে যায়।
- অসম্ভব সংখ্যা: লাখ লাখ শিক্ষার্থী বা কোটি টাকা আয়ের দাবি, কিন্তু যাচাই করার উপায় নেই। এক পাতায় এক সংখ্যা, আরেক পাতায় আরেক।
- টাইমারের চাপ: "আর ২ ঘণ্টা বাকি" বা বিশাল ছাড় যা প্রতিদিন নতুন করে শুরু হয়।
- শুধু থিওরি: সিলেবাসে প্রোফাইল, প্রপোজাল বা আউটরিচের বাস্তব অনুশীলন নেই।
- শর্টকাট শেখানো: ভুয়া রিভিউ, একাধিক অ্যাকাউন্ট বা মার্কেটপ্লেসের নিয়ম ভাঙার কৌশল। এতে অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়ে যায়।
- রিফান্ড পলিসি নেই: টাকা দেওয়ার পর কী হবে, লেখা নেই।
- কোর্স শেষে উধাও: সাপোর্ট বা প্রশ্ন করার কোনো জায়গা নেই।
- আগের শিক্ষার্থী খুঁজে পাওয়া যায় না: শুধু স্ক্রিনশট, কোনো আসল মানুষ নেই যার সাথে কথা বলা যায়।
ভর্তির আগে ৩টা কাজ করুন
- প্রশিক্ষকের মার্কেটপ্লেস প্রোফাইল নিজে খুলে দেখুন: রিভিউ, কাজের ইতিহাস, সাম্প্রতিক প্রজেক্ট।
- আগের অন্তত দুজন শিক্ষার্থীর সাথে সরাসরি কথা বলুন।
- সিলেবাস, ক্লাসের ধরন, সাপোর্টের সময় আর রিফান্ড পলিসি লিখিত চেয়ে নিন।
ভালো কোর্স কেমন হয়
ভালো কোর্স সৎভাবে বলে যে ফলাফল আপনার পরিশ্রম আর ধারাবাহিকতার ওপর নির্ভর করে। প্রশিক্ষক নিজের কাজ দেখান, আপনার কাজ রিভিউ করেন, আর মার্কেটপ্লেসের নিয়ম মেনে চলতে শেখান। বিস্তারিত চেকলিস্ট পাবেন সেরা ফ্রিল্যান্সিং কোর্স বাছাইয়ের গাইডে।
ভর্তির আগে প্রশ্ন আছে?
আমার প্রোফাইল আর কাজ যাচাই করে তারপর সিদ্ধান্ত নিন। প্রশ্ন থাকলে WhatsApp এ জিজ্ঞেস করুন।
একজন সক্রিয় মেন্টরের কাছে শিখুন ›প্রশ্ন ও উত্তর
সব পেইড ফ্রিল্যান্সিং কোর্স কি খারাপ?
না। অনেক ভালো কোর্স আছে। শুধু ভর্তির আগে যাচাই করা জরুরি।
ফ্রি রিসোর্স দিয়ে কি শেখা যায়?
স্কিলের বেসিক শেখা যায়। কিন্তু প্রোফাইল আর প্রপোজালে ব্যক্তিগত রিভিউ পেলে সময় অনেক বাঁচে।
প্রতারিত হলে কী করব?
লেনদেনের প্রমাণ রাখুন, প্রতিষ্ঠানের সাথে লিখিতভাবে যোগাযোগ করুন, আর প্রয়োজনে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে অভিযোগ করতে পারেন।